সবাইকে শুভেচ্ছা
জানিয়ে শুরু করছি আজকের আর্টিকেল।
![]() |
| ব্লগ এসইও |
ব্লগিং বর্তমানে
অনেক জনপ্রিয় এটা সবাই জানেন তাই আমি আর বিস্তারিত বলছি না। কিন্তু একটা ব্লগকে
জনপ্রিয় করে তোলার মূল উপায় হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও। আপনি তো
প্রত্যেকটা ভিজিটরকে ধরে ধরে ব্লগে আনতে পারবেন না তাই আপনার এমন কিছু করা যাই যেন
ভিজিটররা নিজেই আপনার ব্লগে ঢুকে পড়ে। এজন্য প্রয়োজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।
তাহলে চলুন আজকের আর্টিকেলে দেখে নিই কিভাবে আপনি সবচেয়ে কার্যকরী উপায়ে এই বছর
অর্থাৎ ২০১৫ সালে আপনার ব্লগের এসইও করবেন। আসলে এই টিপসগুলি শুধু ২০১৫ সালের জন্য
নয় সবসময়ই ব্লগাদের জন্য অনেক কার্যকর। তাহলে চলুন দেখে নিই টিপসগুলি।
১। ইউনিক কন্টেন্ট ইজ কিং!
সবাই বলে কন্টেন্ট
ইজ কিং কিন্তু আমি বলবো ইউনিক কন্টেন্ট ইজ কিং। কারণ, কন্টেন্ট যদি হয় কপি পেস্ট
করা তাহলে সেটার ১ পয়সাও দাম নেই গুগলের কাছে। তাই, আবারো বলছি ব্লগিং এসইও এর
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে এই জিনিসটাই। সবসময় ইউনিক এবং রিসোর্সফুল কন্টেন্ট তৈরি
করুন। আপনার কন্টেন্ট অথবা ব্লগ পোস্ট এর মাধ্যমে যেন ভিজিটররা উপকৃত হতে পারে
সেইদিকে খেয়াল রাখুন।
২। ব্যাকলিঙ্ক
ব্যাকলিঙ্ক আপনার
ওয়েবসাইট বা ব্লগের জনপ্রিয়তাকে তুলে ধরে এবং এটা সার্চ রেজাল্টে আপনার ব্লগকে হাই
র্যাঙ্কে নিয়ে যেতেও সাহায্য করে থাকে। তাই, চেষ্টা করুন ব্যাক-লিঙ্ক বাড়ানোর।
ব্যাক-লিঙ্ক বাড়ানোর অনেক উপায় আছে আপনি একটু সার্চ করলেই সেগুলো পেয়ে যাবেন।
তাছাড়া, একটা কথা মাথায় রাখবেন যে যেন তেন ব্যাক-লিঙ্ক নিয়ে এখনকার সময়ে কোন লাভ
হবে না। গুগল আপনাকে প্রায়োরিটি তো দিবেই না উল্টা স্প্যাম সাইট হিসেবে আপনাকে
চিহ্নিত করে ব্লক করে দেবে! তাই কতটা ব্যাক-লিঙ্ক হয়েছে সেটা না দেখে দেখুন
কতোগুলো মানসম্পন্ন ব্যাক-লিঙ্ক আপনি পেয়েছেন।
৩। ফোরাম পোস্টিং
বিভিন্ন ফোরামে যোগ
দিন। সেখানে সিগ্নেচার হিসেবে আপনার ব্লগের অ্যাড্রেস ব্যাবহার করুন। এটা
ব্যাক-লিঙ্ক বাড়ানোর একটি জনপ্রিয় এবং কার্যকরী উপায়। তাছাড়া, ভিজিটররা কোন
সমস্যায় পরলে আপনি ত্যাদের আপনার ব্লগের লিঙ্ক দিতে পারেন সমস্যা সমাধানের জন্য।
এতে আপনার ব্লগ স্কলের কাছে পরিচিত হয়ে উঠবে এবং আপনার জনপ্রিয়তা বাড়বে।
৪। গেস্ট ব্লগিং
গেস্ট ব্লগিং আগেও
অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং এখনো যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ আছে। আপনার ব্লগ যেই টপিক
অথবা যেই niche
blog নিয়ে গঠিত তার উপরে ডিপেন্ড করে কিছু
ব্লগে গেস্ট ব্লগিং অর্থাৎ অতিথি লেখক হিসেবে লেখালেখি করুন। এতে আপনার ব্লগের
জনপ্রিয়তা অনেক বেড়ে যাবেন এবং আপনি ব্লগিং কমিউনিটির একজন পরিচিত মুখ হয়ে উঠবেন।
৫। পিং এবং ইন্টারনাল লিঙ্কিং
আপনার সাইটকে
তাড়াতাড়ি বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে অ্যাড করার জন্য পিং টুলস ব্যাবহার করতে পারেন।
পিং টুলস সম্পর্কে আমার ব্লগে একটা পোস্ট আছে। সেখান থেকে এই ব্যাপারে বিস্তারিত
জেনে নিতে পারেন। এবং আপনার ব্লগ পোস্টগুলির মাঝখানে আপনি লিঙ্ক দিতে পারেন এতে
ইন্টারনাল ব্যাক-লিঙ্ক বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার ব্লগকে গুগল বট দ্রুত ইন্ডেক্স করে
নিতে পারবে।
আজকে এই ছিল আমার
লেখালেখি। আশা করছি এটা আপনাদের ভালো লেগেছে। যদি আপনার কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে
অবশ্যই করবেন। আমি আপনার কমেন্টের অপেক্ষায় বসে আছি। পাশপাশি এই আর্টিকেলটি আপনার
কাছে ভালো লেগে থাকলে ফেসবুক টুইটার এবং অন্যান্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক গুলিতে দয়া
করে শেয়ার করুন। সবাই অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমি আবার ফিরে আসবো আরও আকর্ষণীও কোন
আর্টিকেল নিয়ে।





